তাপসকিরণ রায় তিনটি কবিতা--
শুদ্ধতার সোনাটুকু
শুদ্ধতার সোনাটুকু পড়ে থাকে--
তাবড় তাবড় মানুষগুলি কবে যে মাটিতে মিশে গেছে
মৃত্যুর পর পরিচয়হীন মাটি,
তোমার ধারণ সেই গোনা হাড়পাঁজর
চেহারায় নাম লেখা থাকে, নাকি নাম নিয়ে চেহারা তৈরি হয় !
পরিচয়টুকু আশপাশ বাধা,
কিছু সান্নিধ্য মাটির পরিচয় নেই--
তোমার জুতোয় অবহেলিত মাটি তোমায় ছুঁতে চায়।
তুমি তত সরে যাও
যত দূরের বিলাসে আগুনের হল্কা রেখে গেলে--
তাতে নাম নেই, কিছু পোড়া চুলে তোমার গন্ধ নেই,
নারীর বাসনায় কিছুটা সাধনা লুকিয়ে থাকে,
পুরুষ অনায়াসে মজে যায়।
মুলভূত জলের স্রোতে মিশে আছো তুমিও
অনায়াস শাপলা শালুক তুমি
আর সেই কালো মেয়েটাকে নিজের করে নিতে পারো
অথচ দুর্দান্ত শ্লাঘায় মাপহীন দূরত্বে
মোহনায় এসে নদীর পরিচয় হারিয়ে যায়।
আগুন
আগুন শুদ্ধতায় যেটুকু পুড়ে গেছো,
মন ? মন কৈ তোমার ?
তাবড় তাবড় মানুষগুলি কবে যে মাটিতে মিশে গেছে...
ভাবের এত ব্যবধান রচিত হয়েছে--
পর্দা অনুষঙ্গ পোশাক হীনতার দগ্ধতা পোড়া চামড়া
তবু ভালোবাসার পাথর দেবতা থেকে
তুমি একদিন উঠে আসবে জানি।
আনন্দধারা
বোঝ না তোমার মন
চাঁদ ভালো লাগে না।
নিয়নের তলে বসে একি আনন্দধারা তোমার !

No comments:
Post a Comment